বন্ধু তুমি না বলেই চলে গেলা না ফেরার দেশে😭😢😥 তুমাকে আমি ১ সেপ্টেম্বর মেসেজ দিছি আর ১১ সেপ্টেম্বর হয়ে গেলো মেসেজের রিপ্লাই পাইলাম না বলে তুমার আইডিতে ডুকে খোঁজ নিয়া দেখি তুমি আর নাই!😢 ২৮ আগষ্ট তুমি চলে গেলা... একবার বলেও তো যেতে পারতে....আজ আমার সত্যিই অনেক কষ্ট হচ্ছে....নিজেকে কোনো ভাবেই সান্তনা দিতে পারছি না। ২০১৬ সালের কোনো একদিন তুমার সাথে পরিচয় হইছিলো ফেসবুকে.. আর তুমাকে আমি কোনোদিন দেখি নাই,,কথা ও হয় নাই কলে...তুমাকে দেখার অনেক ইচ্ছা ছিলো কিন্তু সাহস করে পিক চাইতে পারি নি কারণ তুমি কখনো ফেসবুকে পিক দেও নাই,,,তুমার ক্যান্সার হইছিলো,,তুমি বলছিলা আর বেশি পড়তে পারবা না,,কিন্তু আমিই তুমাকে জোড় করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করাইছি শেষ দিনে...ওখানে যদি তুমার দেখা পাই..... আমরা কত কথা শেয়ার করছি,,সুখ -দুঃখ,হাসি-কান্নার কোন কথা বলি নাই! এখন কার সাথে বলবো!?? আমিও যেমন বিড়াল প্রেমী ছিলাম তুমিও একি রকম ছিলা,,সব সময় আমার বিড়ালের খোঁজ নিতা,,,তুমি বাড়ি থেকে চলে গেলে তুমার বিড়ালকে কে খাওয়াবে, কে দেখে রাখবে এসব নিয়া টেনশন করতা... তুমি তো নাই,,,এখন তুমার বিড়ালের কি ...
যখন সেই ক্লাস ফোর/ফাইভ এ পড়তাম ২০০৯/২০১০ সালের দিকে তখন ফেব্রুআরি মাসের ২১ তারিখ আসলেই এক অন্য রকম আমেজ শুরু হতো। চারদিক থেকে ভেসে আসতো সাউন্ড বক্সে বাজানো একুশের গান। জায়গায় জায়গায় তৈরী করা হতো কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার। সবাই যেকোনো জায়গা থেকে একটু ফুল বের করে সেই বানানো শহীদ মিনারে রেখে আসতো। আমিও তখন বাড়ির পাশে ছোট করে শহীদ মিনার বানাতাম পাট গাছ দিয়ে তারপর সেগুলোয় রঙ্গ -বেরঙ্গের কাগজ লাগিয়ে দিতাম। আশে পাশের যত জানা অজানা ফুল আছে সব নিয়ে এসে আমার শহীদ মিনারে রাখতাম। আহ! কত মধুর ছিলো দিনগুলি! সোনালী শৈশব...খুব মিস করি। এখন আর সেই আগের মতো শহীদ মিনার বানিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় না....কোথায় হারিয়ে গেলো এই সব.......আজ সকালে কিছু বাচ্ছা পোলাপান আসলো আমাদের বাড়িতে,, আইসা ফুল খুঁজে শহীদ মিনারে দেওয়ার জন্য। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুআরিতে এই প্রিয় বাংলা ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিলো সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও তাদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি ❤️ আবিদ হাসান #২১ফেব্রুআরি #21February #1952
গ্রাম বাংলার সেই রাত গুলো এখন আর পাই না.... এখানে কত রাত জেগে থাকি.....কই, কখনো পাখির ডাক শুনতে পাইলাম না, ঝিঝি পোকার কোনো ডাক ও তো শুনা যায় নাহ। মাঝে মাঝে গ্রামে শুনা সেই শিয়ালের হুক্কা হুয়া বলে ডেকে উঠা শব্দও তো শুনা যায় না! কখনো কখনো ঘর থেকে বের হয়ে দেখতাম বাহিরের পরিবেশ কত ঠান্ডা! কত নির্মল! কখনো চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম সেই গাছ গাছালির ফাঁক ফোঁকর দিয়ে...কই গেলো সেই সময়গুলি!! আবার কখনো নিকষ কালো রাতে বাহিরে গেলে ভূতের ভয়ে গা ছমছম করে উঠতো! এই বুঝি তাকাইয়া রইলো আমার দিকে! আসলে সেই গ্রাম বাংলার মত রাতগুলোর থেকে সুন্দর মুহুর্তের রাত হয়তো পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যাবে না! সেই সব রাতগুলোতে কত শত ভাবনায় ডুবে যেতে পারতাম ইচ্ছে করলেই.. হাজারো স্মৃতি ভেসে উঠতো.....আর এখানে! কতদিন হয়ে গেলো.. কিছু ভাবি না! 15 February 2023
Comments
Post a Comment